Heart valve replacement surgery in india
Heart valve surgery in india

Hear what our patients say about ভারতের সেরা কার্ডিয়াক ও হার্ট সার্জারি হাসপাতাল

ভারতের সেরা হার্ট হাসপাতাল

"ম্যাক্স হাসপাতাল কার্ডিয়াক সায়েন্সের পাশাপাশি কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজের চিকিৎসার জন্যও জনপ্রিয়। এই হাসপাতালটি সিভিডি (CVD) চিকিৎসার জন্য একটি অন্যতম সেরা স্বাস্থ্যকেন্দ্র, যার মধ্যে জন্মগত হৃদরোগ, হার্ট ফেইলিউর, হার্টের সমস্যা এবং করোনারি আর্টা‌রি ডিজিজের মতো রোগ রয়েছে। 

কার্ডিয়াক হার্ট সার্জারি কি এবং কেন ম্যাক্স হাসপাতাল বেছে নিন?

হৃদরোগ, যেমন হার্ট অ্যাটাক, কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলিউর, জন্মগত হৃদরোগ এবং করোনারি হার্ট ডিজিজ, পুরুষ ও মহিলাদের একইভাবে মৃত্যুর প্রধান কারণ। ম্যাক্স হাসপাতাল হৃদরোগের চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ। হাসপাতাল নিশ্চিত করে যে রোগীদের সর্বোত্তম কার্ডিওলজিক্যাল চিকিৎসা প্রদান করা হয়। ম্যাক্স হাসপাতালের কার্ডিওলজি টিমে উচ্চ যোগ্য এবং প্রশিক্ষিত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ রয়েছে। ম্যাক্স হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা এবং সুবিধা এটিকে ভারতের সেরা হার্ট সার্জারি হাসপাতাল করে তোলে।

ম্যাক্স হাসপাতালে হৃদরোগের উন্নত চিকিৎসা

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হৃদরোগগুলি সাধারণত হার্টের পরিকাঠামোগত সমস্যা, ক্ষতিগ্রস্ত রক্তনালী বা রক্ত ​​জমাট বাঁধার কারণে ঘটে। কিছু সাধারণ ধরণের কার্ডিওভাসকুলার রোগের নীচে উল্লেখ করা হয়েছে:
  1. জন্মগত হার্টের সমস্যা - জন্মের পর থেকেই হৃৎপিণ্ডের মধ্যে পরিকাঠামোগত ত্রুটি থাকলে এটি ঘটে। এটি হার্টের ভালভ, হার্টের দেওয়াল, শিরা এবং হার্টের ধমনীর সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। রক্তের স্বাভাবিক প্রবাহে এর একটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে যা একাধিক জটিলতার দিকে নিয়ে যায় ফলে আপনি নানা প্রকারের সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।
  2. অ্যানজিনা - এই রোগটি তখন ঘটে যখন রক্তনালীগুলির মধ্যে প্লেকের (একটি ক্ষুদ্র, স্বতন্ত্র, সাধারণভাবে উত্থিত প্যাচ যেমন ধমনীর প্রাচীরে ফ্যাট জমা হওয়া) উপস্থিতির কারণে হার্টের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে রক্ত ​​সরবরাহ হয় না যা প্রায়শই রক্তপ্রবাহকে বাধা দেয়। রক্তপ্রবাহ পুনরায় স্বাভাবিক করার জন্য, হৃৎপিণ্ড আরও শক্ত এবং দ্রুত প্রসারিত হয় যা অ্যানজিনার মত রোগের দিকে আপনাকে পরিচালিত করে।
  3. হার্ট অ্যাটাক - করোনারি থ্রম্বোসিস বা অ্যাকিউট মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন নামেও পরিচিত এটি হৃৎপিণ্ডের সাথে সম্পর্কিত একটি অত্যন্ত জটিল রোগ এবং এই পরিস্থিতি তখনই ঘটে যখন হৃৎপিণ্ডে রক্ত ​​সরবরাহ হঠাৎ করে বাধা পায়। ধমনীর অভ্যন্তরের প্রাচীরের মধ্যে প্লেক জমা হওয়ার কারণে এই বাধা সৃষ্টি হয়। যখন এই জমা প্লেকগুলি ভেঙে যায় তখন একাধিক রক্তকণিকা এতে আটকে যায় এবং জমাট বাঁধে।
  4. অ্যারিথমিয়া - এই রোগটি তখন ঘটে যখন হৃৎপিণ্ডের মধ্যে যদি অতিরিক্ত হৃদস্পন্দন হয় বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন হয় যা হৃৎপিণ্ডের স্বাভাবিক ছন্দকে বাধা দেয়। হার্টের এইরকম অস্বাভাবিক ছন্দকেই বলা হয়ে থাকে অ্যারিথমিয়া। কখনও কখনও এটি প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।
  5. হার্ট ফেইলিওর - এই অবস্থা তখনই ঘটে যখন হৃৎপিণ্ডের পেশীগুলি সারা শরীর জুড়ে রক্ত ​​পাম্প করতে ব্যর্থ হয়। এই রোগের লক্ষণগুলির মধ্যে শ্বাসকষ্ট, ক্লান্তি এবং দুর্বলতা, পা, গোড়ালি এবং পায়ে ফোলা (এডিমা) এবং দ্রুত হার্টবিট অন্তর্ভুক্ত।

ম্যাক্স হাসপাতালে ডায়াগনস্টিক সুবিধা

কার্ডিওভাস্কু‌লার রোগ সনাক্ত করার জন্য কয়েকটি সাধারণ ডায়াগনস্টিক টেস্ট -
  1. রক্ত পরীক্ষা - রক্তের মধ্যে কোলেস্টেরল, ফ্যাট এবং রক্তের লিপিড উপাদানগুলির সাথে সম্পর্কিত হৃদরোগের কারণ এবং সাধারণ লক্ষণগুলি পরীক্ষা করার জন্য চিকিৎসকরা বিভিন্ন ধরনের ল্যাব পরীক্ষা করে থাকেন।
  2. ইসিজি বা ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম - ইসিজি হৃৎপিণ্ডের মধ্যে বৈদ্যুতিক ক্রিয়াকলাপ রেকর্ড করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এই টেস্টের ফলাফল হৃদয় ছন্দের পাশাপাশি হৃৎপিণ্ডের গতিও দেখায়। এই ডায়াগনস্টিক টেস্ট সাধারণত অ্যানজিনা অ্যাটাক, অ্যারিথমিয়াস এবং হার্ট অ্যাটাক নির্ধারণের জন্য পরিচালনা করা হয়।
  3. ইকোকার্ডিওগ্রাম - এটি ডায়াগনস্টিক টেস্ট কার্ডিয়াক আল্ট্রাসাউন্ড হিসাবে কাজ করার পাশাপাশি হৃদয়ের গঠন পরীক্ষা করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এই প্রযুক্তি মনিটরে হৃদয়ের চলমান চিত্র তৈরি করার জন্য শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে। এই টেস্টটি হৃৎপিণ্ডের পেশীগুলিকেও শনাক্ত করতে পারে যা সাধারণভাবে নির্ণয় করা যায় না।
  4. স্ট্রেস টেস্ট - যখন কোন রোগীর শরীর বাহ্যিক কোন স্ট্রেস বা চিন্তার সংস্পর্শে আসে তখন সে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া জানায় আর সেই প্রতিক্রিয়া পরিমাপ করার জন্যই এই ডায়াগনস্টিক টেস্ট পরিচালনা করা হয়। চিকিৎসকরা প্রায়শই রোগীদের তাদের শরীরের মধ্যে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়াকলাপ পরিমাপ করার জন্য ইসিজির (ECG) প্যাচগুলি সহ ট্রেডমিল চালাতে বলেন।
  5. অ্যাঞ্জিওগ্রাফি - এটি এমন একটি ইমেজিং পরীক্ষা যা শরীরের রক্তনালীগুলিকে পর্যবেক্ষণ করার জন্য এক্স-রে ব্যবহার করে। এই পরীক্ষাটি শরীরের যে কোনও অংশে সংকীর্ণ, অবরুদ্ধ, বর্ধিত বা অস্বাভাবিক ধমনী বা শিরাগুলিকে নিখুঁতভাবে পর্যবেক্ষণ করতে সাহায্য করে।
  6. কার্ডিয়াক এমআরআই - এই পদ্ধতি হৃৎপিণ্ডঘটিত রোগগুলিকে শনাক্ত বা নিরীক্ষণ করার জন্য, জন্মের পরে বিকাশমান বা জন্মগত হৃদরোগ, এবং হৃদরোগীদের হৃৎপিণ্ডের গঠনতন্ত্র এবং কার্যকারিতা নিরীক্ষণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
  7. চেস্ট এক্স-রে - ফুসফুস, হার্ট এবং বুকের কোন সমস্যা শনাক্ত করার জন্য এবং শ্বাসকষ্ট, অনবরত কাশি অথবা বুকে ব্যথার মত শারীরিক সমস্যা সঠিকভাবে বিচার করার জন্য এই এক্স-রে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
যখন কোন একজন রোগীর মধ্যে হৃদরোগ শনাক্ত হয়, তখন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা এমন কিছু চিকিৎসার পরামর্শ দেন যা রোগীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং উপযুক্ত।

কিভাবে একজন রোগী কার্ডিয়াক রোগ থেকে পুনরুদ্ধার করবেন?

হার্টের অস্ত্রোপচারের পর রোগীকে কয়েকদিন পর্যবেক্ষণের জন্য আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। রোগীকে তাদের অবস্থার উপর নির্ভর করে কয়েক সপ্তাহ পুনরুদ্ধারের পরে বাড়িতে যেতে দেওয়া হয়। যদি সার্জারি বা থেরাপি একটি গুরুতর হার্টের অবস্থার জন্য হয়, তাহলে পুনরুদ্ধারের সময় বাড়ানো যেতে পারে। একজন কার্ডিওলজি রোগীর চিকিৎসা হাসপাতাল থেকে বের হলেই শেষ হয় না। হৃদরোগ থেকে পুনরুদ্ধার করতে এবং ভবিষ্যতে জটিলতার ঝুঁকি কমাতে রোগীদের অবশ্যই বাড়িতে ইতিবাচক প্রচেষ্টা করতে হবে। এমনকি পুনরুদ্ধারের পরেও কার্ডিয়াক অ্যাটাক হতে পারে। তাই, রোগীকে নিয়মিত কার্ডিওলজিস্টের সাথে দেখা করার পরামর্শ দেওয়া হয়। ম্যাক্স হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগ ব্যতিক্রমী যত্ন সহ জটিল কার্ডিয়াক প্রক্রিয়া সম্পাদনের জন্য পরিচিত।

চিকিত্সা

বিশেষজ্ঞের কথা শুনুন

বিশেষজ্ঞের কথা শুনুন

WhatsApp
Request an appointment
close slider

Request an appointment