Liver transplant surgery in India
Liver transplant hospital in India

Hear what our patients say about ভারতে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের খরচ

ভারতে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের খরচ

ম্যাক্স সেন্টার ফর লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট এবং বিলিয়ারি সায়েন্সেস, তার লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট চিকিৎসার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত কারণ এটি বিগত কয়েক বছর ধরে ৯৫% এরও বেশি সাফল্যের হার প্রদান করে আসছে। লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের ক্ষেত্রে অগ্রণী হিসাবে পরিচিত এই দলে রয়েছে ২০ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ২০০ জন অভিজ্ঞ স্বাস্থ্য পরিষেবক এবং যারা ৩০০০ টিরও বেশি প্রতিস্থাপন করেছেন। আমরা ক্রনিক লিভার ফেলিওর, হেপাটাইটিস, লিভারের টিউমার এবং লিভারের ভাইরাসঘটিত সংক্রমণের পরিস্থিতিতেও চিকিৎসা প্রদান করে থাকি।

লিভার ডিজিজ বা যকৃতের রোগের প্রকারগুলি:

লিভার বিপাকীয় কাজে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি রাসায়নিক এবং অন্যান্য টক্সিন থেকে রক্তকে বিশুদ্ধ করে। সুতরাং, যদি আপনি সঠিক পরিমাণে সুষম খাদ্য না গ্রহণ করেন তবে আপনি ঘন ঘন সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়বেন। নিম্নলিখিত শারীরিক সমস্যাগুলি হল লিভারের কিছু উল্লেখযোগ্য রোগ যেগুলির সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি।
  1. ফ্যাটি লিভার:: লিভারের টিস্যুগুলির উপর অতিরিক্ত ফ্যাট একত্রিতকরণকে ফ্যাটি লিভার বলে। যদিও এটি কোনও গুরুতর বা কঠিন কোন শারীরিক পরিস্থিতি নয় তবে এর ফলে সিরোসিস এবং অন্যান্য বড় কোন লিভারের রোগ হতে পারে। ফ্যাটি লিভার দুটি ধরণের হতে পারে, যথা: অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ এবং নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ।
  2. অটোইমিউন কন্ডিশন:এইরকম শারীরিক অসুস্থতার মধ্যে, শরীরের ইমিউন সিস্টেম বা প্রতিরোধ ব্যবস্থা শরীরের সুস্থ কোষগুলিকে আক্রমণ করে। কারণ, শরীরের ইমিউন সিস্টেম আমাদের শরীরের কোষগুলিকে বহিরাগত বস্তুসমূহ বলে বিবেচনা করে।
  3. হেপাটাইটিস: এটি লিভারের এক ধরনের প্রদাহজনক অবস্থাকে বোঝায়। হেপাটাইটিস এ, হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি এবং হেপাটাইটিস ই ভাইরাস দ্বারা এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। হেপাটাইটিস এ এবং হেপাটাইটিস ই দূষিত খাবার খাওয়া এবং জল পান করার ফলে ঘটে, অন্যদিকে দূষিত রক্তের কারণে হেপাটাইটিস বি এবং হেপাটাইটিস সি হয়ে থাকে।
  4. লিভারের সিরোসিস: সিরোসিস হল লিভারের একটি অপরিবর্তনীয় ক্ষত, যা লিভারের কোষগুলিকে স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে তোলে। এই রোগের সাধারণ অবস্থাগুলি হল পেটে জন্ডিস, চুলকানি এবং লিভারে তরল জমে যাওয়া।
  5. জিনগত অবস্থা:হিমোক্রোমাটোসিস, উইলসন রোগের মতো কিছু জিনগত অবস্থা কোনও কোনও পিতামাতার কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হয় এবং এগুলি লিভারকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
  6. হেপাটোসেলুলার কার্সিনোমা:এটি লিভারের কোষ থেকে বেরিয়ে আসা এক ধরনের টিউমার। এই টিউমারগুলি লিভারের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
  7. লিভার ফেইলিউর:লিভারের কোনও অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেলে এবং সঠিকভাবে লিভার কাজ করতে না পারলে সেই অবস্থাকে ক্রনিক লিভার ফেলিওর বলে। এই রোগের সাধারণ লক্ষণগুলি হল জন্ডিস, বিভ্রান্তি, ক্লান্তি, ডায়রিয়া, দুর্বলতা এবং বমি বমি ভাব। অ্যাকিউট লিভার ফেইলিউর (লিভার ড্যামেজ) রোগ চিকিৎসাগতভাবে সারানো যেতে পারে, তবে ক্রনিক বা দীর্ঘস্থায়ী লিভার ফেইলিউর অবস্থার সময় লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট করার প্রয়োজন।

রোগ নির্ণয় পদ্ধতি

লিভারের সমস্যা শনাক্ত করার জন্য নিম্নলিখিত ডায়াগনস্টিক পরীক্ষাগুলি করা হয়।
  1. রক্ত পরীক্ষা: রোগ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকরা বেশিরভাগ সময় লিভারের কার্যকারিতা বা লিভার ফাংশন টেস্ট করার জন্য রক্ত ​​পরীক্ষা করে থাকেন।
  2. ইমেজিং পরীক্ষা:লিভার ঠিক কতটা পরিমাণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার পরিমাণ নির্ণয় করার জন্য একটি আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান, সিটি স্ক্যান এবং এমআরআই এর মত উন্নত ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতির অবলম্বন করা যেতে পারে। এই পরীক্ষাগুলি লিভারের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য এবং লিভারের ক্ষতির পরিমাণ প্রকাশ করে।
  3. টিস্যু বিশ্লেষণ এক্ষেত্রে একটি টিস্যুর নমুনা নেওয়া হয়, যা বায়োপসি হিসাবে পরিচিত। এই প্রক্রিয়া পরিচালনা করার সময় একটি ছোট্ট টিস্যু লিভার থেকে কেটে নেওয়া হয়, যা যথাযথভাবে লিভারের মধ্যে টিস্যু স্তরে কোন জটিল রোগ নির্ণয় করতে সহায়তা করতে পারে। একটি দীর্ঘ সূঁচ ত্বকের মধ্যে ঢোকানো হয় এবং একটি ছোট্ট টিস্যুর নমুনা বের করা হয়। পরে এটি পরীক্ষাগারে নিয়ে গিয়ে পরীক্ষা করা হয় এবং লিভার কতখানি ক্ষতিগ্রস্ত সে বিষয়ে বিশ্লেষণ করা হয়।
ম্যাক্স হসপিটালের লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট এবং বিলিয়ারি সায়েন্স বিভাগ হল লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের জন্য অন্যতম সেরা বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান। এটি বিগত কয়েক বছর ধরে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে এসেছে। এখানে ২০ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন অভিজ্ঞ স্বাস্থ্য পরিষেবক রয়েছে যারা প্রতিটি লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সাফল্যতার সহিত সম্পন্ন করতে পেরেছে। তারা ন্যূনতম পরিশ্রমে এবং কোনও জটিলতা ছাড়াই উন্নতমানের প্রযুক্তি এবং সরঞ্জামগুলি ব্যবহার করে শল্য চিকিৎসার মাধ্যমকে তুলনামূলকভাবে অনেক সহজ করে তুলেছে।

ভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট বা লিভার প্রতিস্থাপনের জন্য দাতা:

লিভার যিনি দান করবেন তাকে অবশ্যই গ্রহীতার সম রক্তের অধিকারী হতে হবে এবং শারীরিকভাবে তাকে অবশ্যই যথেষ্ট সক্ষম হয়ে হবে তার কারণ সার্জারির সময় দাতাকে একাধিক শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা হয় কারন তার শরীরের অঙ্গ-প্রতঙ্গ গুলি ভাল এবং স্বাভাবিক প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়েছে কিনা সেটা জানার জন্য। স্বাস্থ্যকর রুটিন এবং ডায়েটের মতো শল্য চিকিত্সার আগে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন যা তাদের শারীরিক সক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে। আমরা নিশ্চিত করছি যে লিভার দান করার পরে দাতা ভাল অবস্থায় থাকবেন এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করতে পারবেন।

চিকিত্সা

বিশেষজ্ঞের কথা শুনুন

বিশেষজ্ঞের কথা শুনুন

Case Study

ভারতে কনিষ্ঠতম লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট: ৫ মাস বয়সী শিশুর জীবন ফিরিয়ে দেওয়া

WhatsApp
Request an appointment
close slider

Request an appointment