Best infertility treatment in Iindia
Best infertility hospital in India

আমাদের হাসপাতালের সম্পর্কে আমাদের রোগীরা যা বলেন তা শুনুন

আইভিএফ

আইভিএফ বা ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন প্রজনন প্রযুক্তি সেই চিকিৎসা পদ্ধতিকে বোঝায় যার মধ্যে ফার্টিলিটির জন্য বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি জড়িত, বিশেষত যে সকল ব্যক্তিদের বন্ধ্যাত্ব রয়েছে তাদের জন্য। আইভিএফ-এর কিছু চিকিৎসা পদ্ধতি হল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শুক্রাণু উদ্ধার, অ্য়াসিস্টে‌ড হ্যাচিং এবং ব্লাস্টোসিস্ট স্থানান্তর। বন্ধ্যাত্বের সমস্যার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বহু দম্পতি চিকিৎসা অত্যাধুনিক পদ্ধতির জন্য চিকিৎসকের দ্বারস্থ হচ্ছেন। ভারতবর্ষের ম্যাক্স হাসপাতালে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা যথাযথ এবং সাফল্যমুখী। আমাদের অত্যাধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং অভিজ্ঞ ডাক্তাররা সদা সর্বদা ব্যতিক্রমী চিকিৎসা বিকল্পগুলি সরবরাহ করে থাকেন।

আইভিএফ চিকিৎসার প্রকার -

আইভিএফ চিকিৎসার কয়েকটি সাধারণ ধরন হল:
  1. ন্যাচরাল সাইকেল IVF
  2. মেল ফার্টি‌লিটি ট্রিটমেন্ট - আইসিএসআই (ICSI)
  3. অ্যাসিস্টেড রিপ্রোডাকশন টেকনিক।
  4. অ্যাসিস্টেড হ্যাচিং
  5. ব্লাস্টোসাইট ট্রান্সফার
  6. বার বার আইভিএফ ব্যর্থতার চিকিৎসা
  7. ফার্টি‌লিটি প্রিজারভেশন
  8. অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শুক্রাণু উদ্ধার
  9. থার্ড-পার্টি প্রজনন।

রোগ নির্ণয় -

আইভিএফ চক্র শুরু হওয়ার আগে, মহিলার ডিম্বাণু এবং পুরুষের শুক্রাণু উভয়ের মূল্য নির্ধারণ করার জন্য কিছু স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার প্রয়োজন যা নীচে উল্লেখ করা হয়েছে:
  1. ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণুর পরিমাণের জন্য পরীক্ষা - ডিম্বাণুর গুণমান ও পরিমাণ নির্ধারণের জন্য, ডাক্তার এফএসএইচ (ফলিকল- স্টি‌মুলেটিং হরমোন) এর ঘনত্ব এবং মাসিক চক্রের প্রাথমিক দিনগুলিতে রক্তের মধ্যে অ্যান্টি-মুলেরিয়ান হরমোন পরীক্ষা করতে পারেন।
  2. বীর্য বিশ্লেষণ - এই প্রক্রিয়াটি আইভিএফ চিকিৎসা চক্র শুরু হওয়ার অল্প সময়ের আগেই সম্পন্ন করা হয়।
  3. সংক্রামক রোগের স্ক্রিনিং - উভয় ব্যক্তিকেই এইচআইভি সহ সংক্রামক রোগগুলির জন্য স্ক্রিনিং করা হয়।
  4. জরায়ু পরীক্ষা - চিকিৎসকরা সাধারণত আইভিএফ প্রক্রিয়া শুরু করার আগে জরায়ুর অভ্যন্তরের আস্তরণের পরীক্ষা করেন। এই পরীক্ষার মধ্যে সোনোহাইস্টেরোগ্রাফি ব্যবহার করা হয় যেখানে জরায়ুতে ইনজেকশনের মাধ্যমে সারভিক্সের মধ্য দিয়ে এক ধরনের তরল প্রয়োগ করা হয়। এছাড়াও, জরায়ু গহ্বরের চিত্র নেওয়ার জন্য একটি আল্ট্রাসাউন্ড ব্যবহার করা হয়।

চিকিৎসা -

ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশনের প্রথম পদক্ষেপটি হল বেশ কয়েক মাস ধরে ফার্টি‌লিটির জন্য সঠিক ওষুধ গ্রহণ করা, যাতে জরায়ু খুব বেশি পরিমাণে ডিম্বাণু উৎপাদন করতে পারে, এবং নিষেকের জন্য পরিপক্ক হয়। এই পদক্ষেপটি ডিম্বস্ফোটন হিসাবে পরিচিত। হরমোনের মাত্রা নির্ধারণ এবং ডিম্বাণু উৎপাদন সম্পর্কে নজর রাখার জন্য নিয়মিত আল্ট্রাসাউন্ডের পাশাপাশি রক্ত ​​পরীক্ষা করা হয়। ডিম্বাশয় যখন পর্যাপ্ত পরিমাণে ডিম্বাণু উৎপাদন করতে থাকে তখন চিকিৎসকরা সেগুলি শরীর থেকে বের করে ফেলেন এবং এই প্রক্রিয়া ডিম্বাণু পুনরুদ্ধার হিসাবে পরিচিত। এই পদ্ধতি ছোটখাটো অস্ত্রোপচারের সাথে জড়িত এবং এটি যে কোনও ক্লিনিকে সম্পন্ন করা হয়। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন রোগীকে সুস্থ এবং স্বাভাবিক থাকার জন্য রোগীকে সঠিক ওষুধ দেওয়া হয়। তারপরে চিকিৎসকরা আল্ট্রাসাউন্ড ব্যবহার করে দেহের অভ্যন্তরীণ স্থান শনাক্ত করেন এবং যোনিপথের মধ্য দিয়ে ডিম্বাশয়ে একটি সরু ফাঁপা নল রাখেন এবং ফলিকলগুলিকে (যা ডিম্বাণুগুলিকে ধরে রাখে) আটকে রাখেন। একটি ছুঁচ একটি সাকশন ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত করা থাকে যা প্রতিটি ফলিকল থেকে আস্তে আস্তে করে ডিম্বাণুগুলিকে বের করে আনে। এরপর এই ডিম্বাণুগুলি শুক্রাণু কোষের সাথে মিশ্রিত করা হয় যা দাতার কাছ থেকে নেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়াটি প্রজনন হিসাবে পরিচিত, যা একটি পরীক্ষাগারে সম্পন্ন করা হয়। ডিম্বাণু সংগ্রহের প্রায় তিন থেকে পাঁচ দিন পরে, এক বা একাধিক ভ্রূণ জরায়ুতে প্রবেশ করানো হয় এবং এই প্রক্রিয়াটিকে ভ্রূণ স্থানান্তকরণ বলা হয়। এরপর যোনিপথের মধ্য দিয়ে ডিম্বাশয়ে একটি নল রাখা হয় এবং ভ্রূণটি সরাসরি নলের মাধ্যমে জরায়ুর মধ্যে প্রতিস্থাপন করা হয়। এই পদ্ধতিতে, গর্ভাবস্থা তখনই সম্ভব যখন কোনও ভ্রূণ জরায়ুর আস্তরণের সাথে সংযুক্ত হয়। ভ্রূণ স্থানান্তরের এই পদ্ধতিটি ব্যথাবিহীন। ইন-ভিট্রো-ফার্টিলাইজেশন, পাশাপাশি ইন্ট্রাসাইটোপ্লাজমিক স্পার্ম‌ ইনজেকশন সহায়ক প্রজনন চিকিৎসার প্রক্রিয়া হিসাবে বিবেচনা করা হয় যেখানে ডিম্বাণুর নিষিক্তকরণ মানবদেহের বাইরে সম্পন্ন হয়। এই দুটি চিকিৎসা পদ্ধতির মধ্যে বেশ কয়েকটি ধাপ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা সম্পূর্ণ হতে বেশ কয়েক সপ্তাহ সময় নেয়।

বিশেষজ্ঞের কথা শুনুন

সচরাচর জিজ্ঞাসা করা হয় এমন প্রশ্নাবলী

WhatsApp