Orthopedic hospital in India
Orthopedic treatment in India

Hear what our patients say about ভারতে অর্থোপেডিক চিকিত্সা

ভারতে অর্থোপেডিক চিকিত্সা

ম্যাক্স হাসপাতালগুলি অর্থোপেডিক বা মাসকুলোস্কেলেটাল সায়েন্সের জন্য শীর্ষস্থানীয় হাসপাতালগুলির মধ্যে একটি সেরা চিকিৎসাকেন্দ্র হিসাবে বিবেচিত হয় এবং হাঁটু এবং নিতম্বের জয়েন্ট প্রতিস্থাপন, সাধারণ অর্থোপেডিক সমস্যা, পেডিয়াট্রিক আর্থোপেডিক সমস্যা, ক্রীড়ার ওষুধ, ব্যথা নিয়ন্ত্রণ এবং বাতের চিকিৎসার জন্য নানা ধরনের পরিষেবা সরবরাহ করে থাকে। ম্যাক্স হসপিটাল কম্পিউটারের সাহায্যে পুরো হাঁটু এবং নিতম্ব প্রতিস্থাপন সার্জারি, আর্থোস্কোপিক সার্জারি, হাত, কাঁধ ও কনুইয়ের অস্ত্রোপচার, পা এবং গোড়ালির সার্জারি, এবং আর্টিকুলার সারফেস রিপ্লেসমেন্ট হিপ সার্জারির পাশাপাশি ট্রমাটিক আর্থোপেডিক সার্জারির মতো পরিষেবাগুলি প্রদান করে থাকে।

সাধারণ অর্থোপেডিক রোগ

কিছু ধরনের অর্থোপেডিক ডিসঅর্ডার নিচে আলোচনা করা হল যা সাধারণত রোগীরা অনুভব করে -
  1. আর্থ্রাইটিস বা বাত: আর্থ্রাইটিস হল গাঁট বা জয়েন্টের বেদনাদায়ক প্রদাহ যা শরীরের মধ্যে জয়েন্ট এবং অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলির নড়নচড়নকে প্রভাবিত করে। ব্যথা, ফোলাভাব, কঠিনতা এবং চলাচল করতে অসুবিধা হল এই রোগের কিছু লক্ষণ। বাতের প্রধান কারণ হল অটোইমিউন রোগ এবং সংক্রমণ।
  2. অস্টিওপোরোসিস: অস্টিওপোরোসিসকে হাড়ের ক্ষয় রোগ হিসাবেও চিহ্নিত করা হয়, যেখানে ক্যালসিয়াম এবং খনিজ জমার অভাবের হাড় ঝাঁঝরা হয়ে যায়। এই হাড়গুলির মধ্যে অপ্রত্যাশিত এবং আকস্মিক ভাঙনের ঝুঁকি থাকে। এই সমস্যাতে কব্জি, মেরুদণ্ড এবং নিতম্বের হাড়গুলি সাধারণ। চলাফেরা কমে যাওয়া, পিঠে ব্যথা, ত্রুটিপূর্ণ ভঙ্গিমা এবং পড়ে যাওয়া হল এই রোগ চেনার উপায়। অস্টিওপোরোসিসের সাধারণ কারণ হল ধূমপান, ডায়েটে স্বল্প ক্যালসিয়াম, বয়স, হাইপোথাইরয়েডিজম এবং জিনগত ব্যাধি।
  3. স্পনডিলাইটিস: স্পনডিলাইটিস হল ভার্টিব্রা বা পিঠের হাড়ের প্রদাহ। তিনটি ধরনের স্পনডিলাইটিস রয়েছে, যথা, সার্ভিকাল স্পনডিলাইটিস, অ্যানকাইলোজিং স্পনডিলাইটিস এবং লাম্বার স্পনডিলাইটিস, এগুলি এদের উৎস এবং জায়গার উপর নির্ভর করে। এই সমস্যা এনএসএআইডি (NSAID / নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগস) এবং কর্টিকোস্টেরয়েড দিয়ে চিকিৎসা করা হয়।
  4. ফ্র্যাকচার: শরীরের যে কোনও জায়গায় হাড় ভাঙতে পারে এবং এর সাধারণ কারণগুলি হল ট্রমা, দুর্ঘটনা এবং হাড়ের মধ্যে ক্যালসিয়ামের অভাব। অস্ত্রোপচার ভাঙ্গা হাড়গুলিকে তাদের সঠিক জায়গায় ঠিক করার জন্য পরিচালনা করা হয়।
  5. ডিস্কের রোগ: ডিস্কের পরিবর্তনের কারণে ব্যথার সৃষ্টি হয়। এটি মূলত শুকিয়ে যাওয়া বা ক্র্যাকিংয়ের কারণে ঘটতে পারে। যদি কোনও ব্যক্তি তার ঘাড়ে এবং পিঠের চারপাশে দীর্ঘসময় ধরে ব্যথা অনুভব করেন, তবে আপনার অতি আবশ্যক চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার।
  6. মেরুদণ্ডের ফাটল এবং প্যারালাইসিস: কশেরুকার একটি ফ্র্যাকচার বা স্থানচ্যুতির কারণে হাড় টুকরো টুকরো হয়ে যায় এবং এর ফলে মেরুদণ্ডের স্নায়ু বা স্পাইনাল কর্ডের ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আঘাতটি কতটা গুরুতর তার উপর নির্ভর করে শরীরের ব্যথা ক্রমবর্ধিত হয়।

অর্থোপেডিক ডিসঅর্ডারের জন্য মেডিকেল ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা

চিকিৎসকরা রোগীর লক্ষণের উপর নির্ভর করে বিভিন্ন ধরনের ডায়াগনস্টিক টেস্ট লিখে থাকেন। ডায়াগনস্টিক পরীক্ষাগুলি নিচে আলোচনা করা হল।
  1. আর্থ্র‌োস্কোপি: এই ডায়াগনস্টিক পরীক্ষাটি শরীরের গাঁট বা জয়েন্টের অভ্যন্তরে কোন সমস্যা হয়েছে কিনা তা দেখার জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি এক ধরনের শল্যচিকিৎসা পদ্ধতি। অস্ত্রোপচারের জন্য অল্প একটু ছেদ করে ক্ষতিগ্রস্ত জয়েন্টের উপর একটি ছোট স্কোপ এবং একটি ক্যামেরা প্রবেশ করানো হয় যার ফলে অন্তর্নিহিত অবস্থা সম্পর্কে সম্যক ধারণা পাওয়া যায়।
  2. হাড় স্ক্যান: এই স্ক্যানগুলি টিস্যুর ঘনত্ব সম্পর্কে বিশদ জানতে সহায়তা করে। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন, কোনরকম অস্বাভাবিকতা প্রকাশ করার জন্য স্বল্প পরিমাণ তেজস্ক্রিয় পদার্থ ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয়।
  3. সিটি স্ক্যান: এই স্ক্যান চিকিৎসকদের হাড়ের নিখুঁত চিত্র সরবরাহ করে হাড়ের সমস্যা সম্বন্ধে সম্যক ধারণা দেয়।
  4. এমআরআই সিটি স্ক্যান: শরীরের বিভিন্ন অংশে হাড়ের স্পষ্ট ছবি পেতে খুব শক্তিশালী চৌম্বকীয় এবং তেজস্ক্রিয় তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়।
  5. এক্স-রে: এক্স-রে শরীর এবং হাড়ের স্পষ্ট চিত্র পেতে রেডিয়েশন ব্যবহার করে।

ম্যাক্স হাসপাতালে অর্থোপেডিক চিকিৎসা পদ্ধতি গৃহীত

  1. বৈদ্যুতিক উদ্দীপনা এবং TENS: ট্রান্সকিউটেনিয়াস ইলেকট্রিক্যাল এন্ড নিউরোমাসকুলার স্টিমুলেশন ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যুগুলির চারপাশে ব্যথা হ্রাস করতে ব্যবহৃত হয়।
  2. ট্র্যাকশন: ট্র্যাকশন পদ্ধতি ঘাড় ব্যথা এবং নিম্ন পিঠের ব্যথার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় যার ফলে মেরুদণ্ডের ব্যথা হ্রাস পায় এবং নড়নচড়ন বৃদ্ধি পায়।
  3. আর্থ্র‌োস্কোপিক সার্জারি: এখানে আর্থ্র‌োস্কোপের মাধ্যমে চিকিৎসা ও পরীক্ষা করা হয়। এই পদ্ধতি সুস্থতার সময় হ্রাস করে এবং সংযোজক টিস্যুগুলিতে কম ট্রমাজনিত কারণে সফলতার হার বাড়ায়।
  4. জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট সার্জারি: বেশ কয়েকটি অবস্থা জয়েন্টের কার্টিলেজে ক্ষতি করে এবং যার ফলস্বরূপ জয়েন্টে ব্যথা হয়। এই ক্ষতির সবচেয়ে সাধারণ কারণ হল আর্থ্রা‌ইটিস এবং ট্রমা। যখন নন-সার্জি‌ক্যাল চিকিৎসা পদ্ধতিগুলি যেমন ওষুধ, প্লাস্টার অফ প্যারিস (POP) অ্যাপ্লিকেশন এবং ফিজিক্যাল থেরাপি কোন ইতিবাচক ফলাফল দিতে সক্ষম হয় না, তখন চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচার পদ্ধতিকে বেছে নেন।
জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট সার্জারি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে জয়েন্টের ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলি ধাতব পদার্থ দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়। এই প্রতিস্থাপনের ফলে রোগী সহজেই তার গাঁট বা জয়েন্টকে আন্দোলিত করতে পারে। নিতম্ব, হাঁটু, কব্জি, কনুই এবং কাঁধের উপর জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট সার্জারি করা হয়। হিপ রিপ্লেসমেন্ট এবং হাঁটুর রিপ্লেসমেন্ট সার্জারি হল সবচেয়ে বেশি প্রচলিত একটি সার্জারি। কম্পিউটারের সাহায্যে জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট সার্জারি জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট পদ্ধতির সময় একটি উন্নত ধরনের কম্পিউটার ইমেজিং ব্যবহার করা হয় যা চিকিৎসকদেরকে নির্ভুল ও সঠিক পদ্ধতির আশ্বাস দেয়।

চিকিত্সা

বিশেষজ্ঞের কথা শুনুন

বিশেষজ্ঞের কথা শুনুন

Case Study

ফিজি ন্যাশনাল, পাইরেটিকা রেখা, এক বছর পরে তার নিজের পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়াতে পেরেছেন

WhatsApp
Request an appointment
close slider

Request an appointment